নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রাংঙ্গামাটির রাজবন বিহার প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ , বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘ দান , অষ্টপরিষ্কার দান, হাজার প্রদীপ দান বিশ্বশান্তি প্যাগোডার উদ্দেশ্য টাকা দান,পরিত্রাণ সূত্র শ্রবন ও বাংলাদেশী বৌদ্ধদের ধর্মীয় সংঘ রাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির উপ সংঘরাজ ভদন্ত প্রিয়দর্শী মহাস্থবির -কে শ্রদ্ধা নিবেদন সম্মাননা স্মারক প্রদান উপলক্ষে মহতী পুণ্যঅনুষ্ঠান-২০২৬ এ প্রধান পূর্ণ্যার্থীর বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজে নৈতিকতা, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সরকারের পাশাপাশি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
মন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্প্রদায়ের এই উৎসবের মূল বার্তা হলো শান্তি ও সম্প্রীতি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান চান সকল শ্রেণি, পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষ সমান গুরুত্ব দিয়ে নিজ নিজ সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পরিচালনা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের স্বকীয়তা রক্ষা ও উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে।
দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলো যার যার সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয় রীতি ও নামে পালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধেয় ধর্মপ্রাণ মহাস্থবির, চতুর্থ মহাসংঘরাজ, প্রিয়দর্শী মহাস্থবির উপসংঘরাজসহ অন্যান্য ভিক্ষুসংঘসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পার্বত্য মন্ত্রী এসময় উপস্থিত সকল ভান্তে, দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকা এবং সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান ।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বিশ্বশান্তি ও জগতের সকল প্রাণীর সুখ কামনা করে প্রার্থনা করেন।

