নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের স্মৃতিগাথা ইতিহাস ও ১৯৭১ সালে তার আত্মত্যাগের মহান গৌরবগাঁথা ইতিহাস জানতে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাজার জিয়ারত করেছেন নানিয়ারচর উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১৫ই আগষ্ট) সকালে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের চিংড়ি খাল এলাকায় অবস্থিত ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাজার জিয়ারত করেন তারা।
এসময় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়। শিক্ষার্থীরা জানায়, পাঠ্যবইয়ে তারা ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের স্মৃতিগাথা ইতিহাস ও ১৯৭১ সালে তার আত্মত্যাগের মহান গৌরবগাঁথা ইতিহাস জানতে পেরেছে। আজ সচক্ষে দেখে তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছে।
এবিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ। তবে তার নামে নানিয়ারচরে সরকারীভাবে উল্লেখযোগ্য কোন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়নি। ২০১৯ সালে আমরা নানিয়ারচরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের নামে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করি।
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুব এলাহি বলেন, ৭০জন শিক্ষার্থী নিয়ে আজ আমরা বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাজার পরিদর্শনে এসেছি। শিক্ষার্থীরা যাতে করে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে এবং তার আদর্শ ধারণ করতে পারে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জেসমিন আক্তার বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কে ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের স্মৃতিগাথা ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হলে তার মাজারে আসতে হবে। এখানে এসে জানতে হবে প্রকৃত ইতিহাস। তবেই এই প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ধারণ করতে পারবে।
এসময় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শামিম, জেকি চাকমা ও রিটন চাকমা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের মাজার জিয়ারত শেষে সুবলং ঝর্ণা ও পলওয়েল পার্ক ভ্রমণ করবেন বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

