নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
অ্যাক্সেস টু এন্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ প্রজেক্ট এর আওতায় নানিয়ারচরে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে নানিয়ারচর উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, নানিয়ারচর উপজেলাওই যে নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব দাশ পুরকায়স্থ।
আশিকা ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েটস’র আয়োজনে ও হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের শুরুতে এই প্রকল্পের আওতায় সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাচঁ বছরের কম বয়সী ঝুঁকিপূর্ণ শিশু এবং তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা৷ স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা ও সামগ্রী কল্যাণ উন্নয়ন বিষয়ে উপস্থাপন করেন, আশিকার রাঙামাটি জেলা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর হিল্লোল চাকমা।
এসময় নানিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডা. শাফাকাত বিন ফরিদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কৃষ্ণলাল দেবনাথ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সুবিনয় চাকমা, প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সরওয়ার কামাল, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ধীমান চাকমা, নানিয়ারচর থানা প্রতিনিধি সোহাগ চৌধুরী ও উপজেলা কো-অর্ডিনেটর সুইমংচিং মারমা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, নানিয়ারচরের দুর্গম এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আপনারা কাজ করবেন। নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এবং সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় করে আপনারা কাজ করবেন। যে কোন ধরনের সহযোগিতায় নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন সব সময় আপনাদের সাথে আছে।
আশিকা প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর জীবন্ত তালুকদার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আশিকা ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটস পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনজীবিকা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য, জেন্ডার ও মানবাধিকার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবিক সহায়তা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। পাশাপাশি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রান্তিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী জরুরি সেবাগুলোতে প্রবেশাধিকার এবং তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রকল্প গ্রহণ করেছে আশিকা। জীবনরক্ষাকারী এসব সেবাসমূহ যেন ডোর টু ডোর সার্ভিস নিশ্চিত করা হয় বলেও যোগ করেন বক্তারা।

