নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রাঙামাটির নানিয়ারচরে বজ্রপাতে বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতি দেখতে ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি নিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফারুক আহমেদ সাব্বির।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগাছড়ি পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় দ্রুত সময়ে বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মেরামত ও বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সামগ্রী মেরামত ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য ফারুক আহমেদ সাব্বির বিকল হওয়া সরঞ্জামাদি মেরামতে নিজস্ব অর্থায়নে অনুদান প্রদান করেন।
এবিষয়ে ফারুক আহমেদ সাব্বির বলেন, বিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো আমি ঘুরে দেখেছি।আমাদের জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপুর দিক নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি মেরামতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন বলেন, গত মঙ্গলবার বজ্রপাতে বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি নষ্ট হয়েছে। পরে আমাদের যোগাযোগের প্রেক্ষিতে জেলা পরিষদ সদস্য ফারুক আহমেদ সাব্বির মহোদয় দ্রুত সময়ে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি মেরামতে অনুদান প্রদান করেছেন। একইসাথে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শন করায় জেলা পরিষদ সদস্য ফারুক আহমেদ সাব্বির মহোদয় কে ধন্যবাদ জানাই।
এসময় নানিয়ারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জলিল, বগাছড়ি পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হাসান ও সোহেল রানা, জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি এম এ সালাম ও জেলা ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন টিটু, নানিয়ারচর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাসান মল্লিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সাইফ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিদ্যালয়ে পৌঁছালে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষকরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
এদিকে দ্রুততম সময়ে বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সংযোগ, নতুন ফ্যান ও লাইট সহ সকল প্রকার বৈদ্যুতিক সেবা নিশ্চিত করে এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছেন এই জেলা পরিষদ সদস্য। তার এই সেবা প্রদানের ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

