মাহাদী বিন সুলতানঃ
পাহাড় ধ্বসে স্থায়ী সমাধানের জন্য আমাদের সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মীর হেলাল।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে রাঙ্গামাটি শহরের লোকনাথ মন্দির আশ্রয়ন কেন্দ্রে আশ্রিতদের মাঝে খাবার ও প্রয়োজনীয় সংক্রামণ রোধী পণ্য সামগ্রী বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য এলাকায় টানা ভারি বর্ষণ, পাহাড় ধ্বস ও এর আশঙ্কায় যারা চরম দুর্ভোগে রয়েছে তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা হিসেবে তেরশত মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে পাঁচশত মেট্রিক টন, খাগড়াছড়িতে পাঁচশত মেট্রিক টন ও বান্দরবানে পাঁচশত মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়। প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আরো বরাদ্দ প্রদান করবেন বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এসময় সরকারী নির্দেশনা মেনে সকল কে নিরাপদ ও আশ্রয়ন কেন্দ্রে যাওয়ার অনুুরোধ করে বলেন, আপনারা নিরাপদে আশ্রয়ন কেন্দ্রে গেলে দুর্যোগকালীন এই সময়ে ক্ষয়ক্ষতি কম হবে। আশ্রয়ন কেন্দ্র গুলোতে পর্যাপ্ত খাবার সহ সকল প্রকার প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থা রয়েছে।
২০১৬ সাল থেকে এ অঞ্চলে পাহাড় ধ্বসের চিত্র তুলে ধরে এর স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে জানতে চাইলে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার। রাতের নির্বাচিত সরকার নয়। আজ সকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেই এই তেরশত মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ সহ সকল বাহিনী এবং জেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের সার্বিক প্রচেষ্টায় রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক সচল রয়েছে। এছাড়াও রাঙ্গামাটি ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান রাঙামাটিবাসীর খোঁজখবর রাখছেন বলেও যোগ করেন তিনি।
এসময় রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মিজ্ নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দিপন তালুকদার দীপু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

