নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পশ্চিম লাইল্যাঘোনা এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে লক্ষী বিলাশ চাকমা (৬২) বছরের এক বৃদ্ধার করুন মৃত্যু হয়েছে। মৃত লক্ষী বিলাশ চাকমা নিহত দ্রোনোচার্জ্য চাকমার ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে দুইদিনের টানা বৃষ্টি পাতের ফলে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। নিহত লক্ষী বিলাশ চাকমার বড় ভাই বিমলেন্দু চাকমা জানান, রাতে বৃষ্টি পাতের ফলে বসত ঘরের পাশের অংশে মাটি ধসে পড়ে। লক্ষী বিলাশ চাকমা ধসে পাড়া মাটি সরাতে গেলে পাহাড়ের উপর থেকে গাছের গুঁড়ি সহ মাটি ধ্বসে পড়ে চাপা পড়ায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে গাছ ও মাটি সরিয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহত পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও ঝুঁকি পূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাস কারী জনসাধারণদের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করে মাইকিং করা হয়। বাঘাইছড়ি থানার এসআই রিয়াজুল ইসলাম রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনা স্থলে পৌছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ শুরু করছে।
এদিকে লংগদু উপজেলায় অসাবধানতাবশত নিজের ঘরের বিদ্যুতের লাইনে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বেনসন চাকমা (৩০) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার মহাজনপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বেনসন চাকমা ওই এলাকার নীল কান্তি চাকমার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে বেনসন চাকমা নিজের বাড়িতে বিদ্যুতের লাইনের সংযোগ দেওয়ার কাজ করছিলেন।
এসময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতায়িত হন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাকারিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে আমরা অবগত আছি। এঘটনায় অপমৃত্যু মামলা রুজুর বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে। দিনমজুর এই যুবকের আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার এবং স্থানীয় মহাজনপাড়া এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
