অনলাইন ডেস্কঃ
পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আবেগঘন এক পোস্ট করেছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) মধ্যরাত ১টায় Tarique Rahman নামে তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে এই আবেগপূর্ণ পোস্টটি করেন তিনি।
পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসরত সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জন্য এবং “আজকের পাহাড়” অনলাইন পত্রিকার পাঠকদের জন্য তার এই আবেগঘন পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো- “বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। একইসঙ্গে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় অথবা পাহাড় কিংবা সমতলে বসবাসকারী সকলে-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকলের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে।
পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক উজ্জ্বলতর ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সকল নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার।
বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সকলের জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে।”
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই আবেগঘন পোস্টটি মুহুর্তেই হৃদয় কেড়েছে লাখো ভক্তের। অল্প সময়েই কয়েক হাজার লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার পোস্টটিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতি তারেক রহমানের এই বার্তা সম্প্রীতির মেল বন্ধন যোগ করেছে বলে জানিয়েছে পাহাড়ের সচেতন মহল।
